কিছু খাবার আছে যেগুলো অল্প আঁচে বেশি সময় নিয়ে মোটেও রান্না করা উচিত নয়। এতে স্বাদ তো নষ্ট হয়ই, একই সাথে নষ্ট হয় খাবারের গুণাগুণও। চলুন, চিনে নিই এমন কিছু খাবার। ১. নুডুলস বা পাস্তা জাতীয় খাবারকে কখনো অল্প আঁচে রাঁধবেন না। বেশি সময়ও রাঁধার প্রয়োজন নেই। এই খাবারগুলো ওভার কুকড হলে খেতে জঘন্য লাগবে। ২. শাক কখনো বেশি সময় রান্না করবেন না। আমাদের দেশে শাক দীর্ঘসময় জ্বাল দিয়ে রাঁধার একটা প্রবণতা আছে। এতে শাকের সমস্ত গুনাগুণই শেষ হয়ে যায়। ৩. আলু ছাড়া অন্য কোন সবজিও বেশি সময় রান্না করার প্রয়োজন নেই। কেবল সিদ্ধ হতে যেটুকু সময় লাগে, সেটুকু সময়ই রান্না করুন। বেশি সময় রাঁধলে পুষ্টিগুণ চলে যায়। ৪. চিংড়ী মাছ কখনোই বেশি সময় নিয়ে রান্না করবেন না। এতে মাছ শক্ত হয়ে যায়। অন্যান্য মাছের ক্ষেত্রেও তাই। সেগুলো শক্ত হবে না, তবে বেশি সময় দমে রাখলে মাছ ভেঙে যাবে ও পুষ্টিগুণও নষ্ট হয়ে যায়। ৫. দই বা ক্রিম বা দুধ ইত্যাদি খাবারগুলোও তরকারিতে ব্যবহার করলে বেশিসময় রান্না করার কোন দরকার নেই। এতে খাবারের স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়। ৬. খাবারে লেবুর রস দেয়ার পর বেশি সময় রান্না করলে খাবার তেতো হয়ে য...
পেঁয়াজ ছাড়া রান্না করা অসম্ভব। আবার কান্না ছাড়া পেঁয়াজ কাটা, সেটাও বলতে গেলে অসম্ভব। প্রায় সকলেরই পেঁয়াজ কাটতে গেলে চোখে পানি চলে আসে। এইরকম ঘটনা কেন ঘটে? আমরা যখন পেঁয়াজ কাটি তখন এর ভেতরের থাকা অসংখ্য কোষগুলোকে কেটে ফেলি। এর কারণে পেঁয়াজের কোষের ভেতরে থাকা পদার্থগুলো মুক্ত হয়ে যায়। কোষে থাকা অ্যামিনো এসিড ও সালফোক্সাইড এসিড বিক্রিয়া করে সালফেনিক এসিড তৈরি করে। আর পরবর্তীতে এই এসিড বাতাসের মাধ্যমে আমাদের চোখের ভেতর প্রবেশ করে জ্বালাপোড়ার সৃষ্টি করে থাকে। আর এই এসিড দূর করে দেওয়ার জন্য প্রাকৃতিকভাবে চোখের ভেতর থেকে পানি চলে আসে, যা আমরা কান্না বলে মনে করে থাকি। অদ্ভুত বিষয় হলো, রান্নার সময় পেঁয়াজের ভেতরে থাকা এনজাইমগুলো নষ্ট হয়ে যায় যার কারণে তখন পেঁয়াজের ধোঁয়ায় চোখে পানি আসে না। এই সমস্যার সহজ একটি সমাধান আছে। আসুন তাহলে জেনে নিই সহজ উপায়টি । যা যা লাগবে: পেঁয়াজ একটি ধারালো ছুরি যেভাবে করবেন: ১। প্রথমে পেঁয়াজের onion গোড়ার অংশটি অর্থাৎ যেখানে মূল থাকে সেটি একটি ধারালো ছুরি দিয়ে গোল করে কেটে ফেলুন। এমনভাবে কাটবেন যেন ভিতরের আঁশটি বের হয়ে আসে। ২। এবার পেঁয়া...
কমলার খোসা দিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করা হয় সেটি আমরা সবাই জানি। কিন্তু ঘর পরিস্কার করতে, ময়লার বাস্কেটের দুর্গন্ধ দূর করতে এই কমলার খোসা ব্যবহার করা যায়, তা কি আপনি জানেন? ঘরে এমন অনেক টুকিটাকি কাজে কমলার খোসা ব্যবহার করা যায়। আসুন তাহলে জেনে নিই কমলার খোসার এমন কিছু ব্যবহার। ১। পানির দাগ দূর করতে – আপনার প্রিয় কাঠের বা ধাতুর আসবাবপত্রে পানির দাগ পড়লে কেমন লাগবে? নিশ্চয় ভাল না! এই দাগ খুব সহজে দূর করা যাবে কমলার খোসার সাহায্যে। দাগের উপর কমলার খোসা orange peels ঘষুণ। কমলার খোসার তেল প্রাকৃতিকভাবে কাঠের দাগ দূর করে দেবে। ২। মাইক্রোওয়েভের দাগ দূর করা – একটি পাত্রে পানি এবং কিছু কমলার খোসা নিন। এটি মাইক্রোওয়েভে ৫ মিনিট সেদ্ধ করুন। কমলার খোসা ভেজানো পানির বাষ্প মাইক্রোওয়েভে লেগে যাবে। ৫ মিনিট পর একটি কাপড় দিয়ে মাইক্রোওয়েভটি মুছে ফেলুন। দেখবেন ওভেনের দাগ দূর হয়ে গেছে। ৩। জুতোর দুর্গন্ধ দূর করতে – অনেকের জুতোতে দুর্গন্ধ হয়ে থাকে। এই দুর্গন্ধ দূর করে দেবে কমলার খোসা। আপনার জুতোর ভেতরে কমলার খোসাতে বেকিং সোডা মিশিয়ে রেখে দিন। এটি আপনার জুতোর দুর্গন্ধ শুষে নেবে। ৪। প্রা...
Comments
Post a Comment