চীনকে হুঁশিয়ারি জাপান


বার্ষিক নিরাপত্তা নির্ধারণ করতে গিয়ে তাদের ভূখণ্ডে আগ্রাসন চালানোর বিরুদ্ধে চীনকে সতর্ক করল জাপান। দক্ষিণ চীন সাগরে চীন যেভাবে তাদের আধিপত্য কায়েম করেছে, নিয়মিতভাবে সেখানে তাদের সমরসজ্জা বাড়াচ্ছে, সে বিষয়ে খুবই উদ্বিগ্ন জাপান।
টোকিওর পক্ষ থেকে প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, এই অঞ্চলের সুপারপাওয়ারের এমন আচরণ বিপদ ডেকে আনতে পারে। যাতে আঞ্চলিক ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। গত মাসেই রাষ্ট্রসংঘ স্বীকৃত আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের একাধিপত্য খারিজ করে দিয়েছে। চীনকে সাফ জানিয়ে দেয়া হয়েছে যে, ওই এলাকা চীনের একার সম্পত্তি নয়। ফিলিপিন্স, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া এবং আরো অনেক দেশ এই এলাকা ব্যবহার করতে পারে।
কিন্তু, চীন এই আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ মানতে নারাজ। পূর্ব চীন সাগরেও চীনের অতিসক্রিয় কার্যকলাপ সম্পর্কেও উদ্বিগ্ন জাপান। এই এলাকায় কয়েকটি দ্বীপের দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রেষারেষি চলছে চীন এবং জাপানের মধ্যে। সেখানে কেউ বসবাস করেন না। জাপানের দখলে থাকা দ্বীপপুঞ্জের নাম সেনকাকু। আর চীনের নিয়ন্ত্রণে থাকা দ্বীপপুঞ্জ চিহ্নিত দিয়ায়ু নামে।
টোকিওর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সম্প্রতি সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জের কাছে চীনের কার্যকলাপ উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সেনকাকুর খুব কাছ দিয়ে চীনের সামরিক বিমান উড়তে দেখা গিয়েছে। মার্চের জাপানি পরিসংখ্যান বলছে, গত বছরের থেকে এবার ১০৭ বার বেশি (মোট ৫৭১ বার) চীনের যুদ্ধবিমান সেনকাকুর আকাশসীমায় ঢুকে পড়েছিল।
গত জুন মাসে জাপানের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল যে চীনের পক্ষ থেকে গোপনে নজরদারি চালানোর জন্য তাদের জলসীমায় জাহাজ পাঠানো হয়েছে। সেই সময়ে জাপানকে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছিল ভারত এবং আমেরিকা। সব মিলিয়ে চীনের এই অস্বাভাবিককার্যকলাপ সম্পর্কেই এদিন নিজেদের গভীর উদ্বেগের কথা জানিয়েছে জাপান।

Comments

Popular posts from this blog

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধনের অনলাইনে আবেদনের নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

পেঁয়াজ কাটতে গিয়ে চোখে পানি আসে? কান্না বন্ধ করতে চাইলে ভিডিওটি দেখুন

Buet Engineering Admission Test Question with Solve